ভোট দিচ্ছে ইরাক

।। নিউজ ডেস্ক ।।
আগাম নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে ইরাকের জনগণ। ভোট শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় রোববার সকালে। এই আগাম নির্বাচনকে দেশটির গণতান্ত্রিক পদ্ধতির পরীক্ষা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনীর আগ্রাসনের হাত ধরে দেশটিতে যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি এসেছে তার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন বহু ইরাকি।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সুবিধা দিতে করা নতুন একটি আইনের আওতায় নির্ধারিত সময়ের কয়েক মাস আগেই এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই বছর আগে সরকারবিরোধী বিশাল গণবিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় এই আইন করা হয়।

তবে যে শিয়া ইসলামিক অভিজাত শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ওই গণআন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবারের নির্বাচনেও তারাই সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ইরাকি কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতক ও বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের ভোটের ফলাফল ইরাক বা মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যে নাটকীয় কোনো পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন না তারা। অনেক ইরাকিও এই ভোট নিয়ে তেমন আশাবাদী নন।

দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাসিরিয়ার বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী মুর্তাধা নাসির বলেন, আমি ভোট দিচ্ছি না এবং আমার পরিবারের কোনো সদস্যও ভোট দিচ্ছে না। তিনি গণবিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তার বন্ধুদের গুলিবিদ্ধ হতে দেখেছেন।

ইরাকের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে পার্লামেন্টের ৩২৯টি আসনের জন্য অন্তত ১৬৭টি দল ও তিন হাজার দুইশোর বেশি প্রার্থী লড়াই করছেন। দেশটিতে নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা ঠিক করতে মাসের পর মাস আলোচনায় সময় ব্যয় হতে দেখা গেছে।

সূত্রঃ জাগো নিউজ২৪