১৭ বছরের কিশোরী পেলো নোবেলের মনোনয়ন

  •  
  •  
  •  
  •  

নিউজ ডেস্ক:  কিশোরী বয়সে যখন অনেকেই ব্যস্ত থাকে নানা রকমের বিনদন নিয়ে তখন ১৭ বছরের এক কিশরী ব্যস্ত পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে।

বলছি হলেন সুইডেনের স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবের্গের কথা র্যিনি ১৫ বছর বয়সে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অবিলম্বে কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুইডেন সংসদের বাইরে প্রতিবাদ শুরু করেন।

গ্রেটা থুনবের্গ ২০১৮ সালের নভেম্বরে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় স্কুলে অবরোধের ডাক দেন এবং একই বছর ডিসেম্বরে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের পর এই আন্দোলন আরও জোরদার করে প্রচুর সাড়া ফেলেন।

২০১৮ সালের নভেম্বরে গ্রেটা প্রথম টিইডিএক্স আলোচনায় বলেন যে, তিনি আট বছর বয়সে প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনের কথা শুনতে পান কিন্তু তিনি বুঝতে ব্যর্থ হন কেন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ১১ বছর বয়সে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন এবং কথা বলা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে তাকে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা দেওয়া হয়।
থানবের্গ

তিনি তার আলোচনায় বলেন, তারা ডিসঅর্ডার গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল তিনি যখন প্রয়োজন শুধুমাত্র তখন কথা বলতেন।

তিনি বলেন, আমার অনেকটা এমন মনে হচ্ছিল যে, আমি যদি এটা সম্পর্কে প্রতিবাদ না করি তাহলে ভিতরে ভিতরে আমি মারা যাচ্ছিলাম।

গ্রেটা কার্বনের প্রভাব কমাতে তার পরিবারের সব সদস্যকে নিরামিষ ভোজিতে পরিণত করেন ও বিমানে চরে ভ্রমণ বাদ দিতে বলেন। তিনি নিজেও এগুলো করেন না।

পরিবেশ বাঁচাতে ও জলবায়ু দূষণ কমাতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে এই কিশোরী। তার এই কাজের জন্য তাকে নোবেল পুরুষ্কারের জন্য মনোনয়ন পায়।

লেফট পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য জেন্স হম ও হকান সভানেলিং নরওয়ের নোবেল কমিটিকে লেখা এক পত্রে বলেছেন, ‘গ্রেটা থানবার্জ একজন জলবায়ু কর্মী। জলবায়ু সংকটের ব্যাপারে রাজনীতিবিদদের আরও সচেতন করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন। এই কারণে, থানবার্জ কিশোরী হওয়ার পরও তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার দাবি করতে পারেন।’

তারা বলেন, ‘জলবায়ু সংকট নতুন করে বিভিন্ন সংঘাত সৃষ্টি করবে এবং এসবের চূড়ান্ত পরিণতি যুদ্ধ। আমাদের কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্যারিস চুক্তি মেনে চলা হচ্ছে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি কাজ।’

সম্ভাব্য নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ২০১৯ সালের জন্য ১৭ বছর বয়সী থানবার্জের নাম উঠে এসেছিল। কিন্তু তখন প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত সমাধানে জোরালো প্রচেষ্টা চালানোয় ইথিওপীয় প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদকে চূড়ান্তভাবে এ শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়।

ঢা/এমএন

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২০ ৫:৪০

(Visited 8 times, 1 visits today)