মার্চেই একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর দাবি জবি শিক্ষার্থীদের

মার্চেই একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর দাবি জবি শিক্ষার্থীদের
  •  
  •  
  •  
  •  

জবি প্রতিনিধি: মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ১১.৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সরকারকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার দাবি করেন তারা।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে আমরা সেশনজট থেকে অনেকটাই মুক্তি লাভ করবো। আর করোনার কারণে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও অনেকটা নাজুক হয়ে গেছে। সেদিক হলেও মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় খুলার জোর দাবি জানাচ্ছি।

তারা মনে করেন, দেশের সবকিছুই তো স্বাভাবিক ভাবে চলছে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনই খুলতে সমস্যা কোথায়। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে সেশনজটের চিন্তাতো রয়েছেই।

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশে করোনার পরিস্থিতি এখন অন্যান্য দেশের তুলনায় যথেষ্ট ভালো এমতাবস্থায় সরকারের এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে যেভাবে পিছিয়ে পড়ছে ঠিক একইভাবে দীর্ঘদিন বাসায় থাকার ফলে মানসিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ছেন।

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, সকল দাবি দাওয়া আদায়ে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামতে হয়েছে, দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দেন। সকল ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা ভুগতেছে। জবি শিক্ষার্থীদের সকল কিছুতে আন্দোলনে নামতে হয়, আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার কার্যক্রম শুরুর দাবিতে মাঠে নামতে হয়েছে। শিক্ষকেরা তো ঘরে বসে তাদের বেতন পাচ্ছেন, তাই শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদের টেনশন নেই।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ জহির উদ্দিন বলেন, যখন দেশের সবকিছুই স্বাভাবিক ভাবে চলছে এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসের কার্যক্রম চলছে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখিনা। মে মাসের দিকে খুললে আমরা ৬ মাসের একটা সেশনজটে পরার আশঙ্কা রয়েছে, কিন্তু মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে বিগত সেমিস্টার গুলোর পরীক্ষা নিয়ে নিলে এই সেশনজটে নাও পরতে হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিন্মবিত্ত ও গরীব শিক্ষার্থীদের বিষ দেন আমরা বিষ খেয়ে মরে যাই। আমাদের পরিবার আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে, আমরা যত দ্রুত শেষ করব তত তাড়াতাড়ি বের হয়ে কিছুনা কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারব।

ঢা/এমআইএস/এসআর

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১ ৩:৪০

(Visited 16 times, 1 visits today)