বেলকুচিতে নেই প্রশাসনের তোয়াক্কা, দোকানে টোকা দিলেই মিলছে পণ্য

বেলকুচিতে নেই প্রশাসনের তোয়াক্কা, দোকানে টোকা দিলেই মিলছে পন্য
  •  
  •  
  •  
  •  

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সিরাজগঞ্জ সব দোকানপাট ১৭ মে থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু খোলা থাকবে ঔষধ ও কাঁচামালের দোকান। কিন্তু বেলকুচি মুকুন্দগাতী বেশির ভাগ পোশাকের দোকানে টোকা দিলে বিশেষ কৌশলে মিলছে পোশাক সহ নানা পন্য।

পোষাক, শাড়ী, কসমেটিক্স, জুতার দোকান ও অন্যান্য দোকান সহ (লক ডাউন আওতা ভুক্তবাদে) প্রায় দুই আড়াই শত দোকান আছে যা আজ থেকে প্রশাসন বন্ধ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বানিজ্য চলছে পুরোদমে। দোকান ভেদে এই সব দোকানে গড়ে ৭ জন থেকে ১৫ করে বিশেষ করে মহিলা খদ্দের অবস্থান করছে।

টোকা দিলেই সাটার তুলে পুরুষ মহিলা খদ্দের হুমরি খেয়ে দোকানে ঢুকছে। শুধু পুরুষ-মহিলা না সংগে ঢুকছে শিশু থেকে সব বয়সের ছেলে মেয়েও।

সামাজিক দুরত্তকে তোয়াক্কা না করে বাজারে চলছে এলাহী কান্ড। সরকারের এতো প্রচেষ্টা সত্যি বিফলে যাবেই সাথে বেলকুচিবাসি পড়বে বিপদে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দোকানে জরিমানাও করা হয়েছে।

এভাবে চললে সিরাজগঞ্জ বেলকুচিও এক সময় করোনার হট স্পটে পরিণত হবে।

বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা অভিযোগ করেন বাজার পরিস্থিতি দেখে মনে হয়না মানুষের অভাব আছে। প্রশাসন যথেষ্ট ভুমিকা পালন করছে কিন্তু আমরা মানছিনা ফলে ক্ষতিটা কিন্তু আমাদের হচ্ছে। আমরা সচেতন না হলে প্রশাসনের একার পক্ষে করোনা প্রতিহত করা সম্ভব না।

তারা অনুরোধ জানান এখন প্রশাসনের উচিৎ মহিলা পুলিশ দিয়ে মহিলাদের ধরে নিয়ে শাস্তি দেওয়া। পুরুষ পুলিশ তো পুরুষ মানুষদের কারনে অকারনে পেটায়, এখন মহিলাদের মহিলা পুলিশ দিয়ে পেটালেই সব সমস্যার সমাধান হবে।

ঢা/এএস/আরকেএস

মে ১৭, ২০২০ ১০:২২

(Visited 18 times, 1 visits today)