বেতন কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রাথমিক শিক্ষকদের

বেতন কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রাথমিক শিক্ষকদের
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা১৮ ডেস্ক : শিক্ষকদের চাওয়া ছিল ১১তম গ্রেড। কিন্তু প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষকের বেতন স্কেল এক ধাপ বাড়িয়ে ১৩তম গ্রেডে নিয়েছে সরকার। ১৩তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণে জটিলতার কারণে উল্টো এখন তাদের বেতন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠনগুলো বরাবরই সহকারি শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছিল। এখন তারা বলছে, ১৩তম গ্রেডের উচ্চধাপে নির্ধারণ করা হলেই কেবল এ সমস্যার সমাধান হতে পারে।

১৩তম গ্রেডে উন্নীত স্কেল যদি নিম্নধাপে নির্ধারণ করা হয়, তাহলে শিক্ষকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। উচ্চধাপে নির্ধারণ করা হলে সিনিয়র ও জুনিয়র সব শিক্ষকই আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রেহাই পাবেন এবং কমবেশি সবাই আর্থিকভাবে লাভবান হবেন- দাবি করছেন শিক্ষকরা।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সহকারি শিক্ষকদের বেতনের ব্যবধান তিন ধাপ। এ বৈষম্য কমিয়ে আনতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সব সহকারি শিক্ষকের বেতন ১৩তম গ্রেডে নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বর্তমানে ১৩তম গ্রেডের বেতন নির্ধারণের কাজ চলছে। এতে শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে যে, নতুন গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হলে সব শিক্ষকের মূল বেতন কমে যাবে।

শিক্ষকরা বলছেন, তাদের বেতন এমনকি ১৩ গ্রেডের নিচের ধাপে নির্ধারণ করলেও বর্তমানের চেয়ে কম টাকা পাবেন তারা। কারণ, বেশিরভাগ শিক্ষকই ইনক্রিমেন্ট পেয়ে ইতোমধ্যে ১৩ গ্রেডের নিচের ধাপের চেয়েও বেশি বেতন পাচ্ছেন। সে কারণে ১৩তম গ্রেডের ওপরের ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হলেও শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে যাওয়ার সুফল পাবেন।

এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, বেতন স্কেল নির্ধারণের সাধারণ নিয়ম হলো ধাপে মিললে মিলল। না মিললে পে-প্রটেকশন দিয়ে পরের ধাপের ইনক্রিমেন্ট পেয়ে তা সমান হবে।

ঢা/কেএম

জুলাই ২৬, ২০২০ ১:০৮

(Visited 75 times, 1 visits today)