ফিলিপ কটলার ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট-২০২০

ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট-২০২০
  •  
  •  
  •  
  •  

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি: বিশ্বব্যাপী বিপণন (মার্কেটিং) শাস্ত্রের বিশ্ব গুরু হিসেবে খ্যাত ফিলিপ কটলার ও তার দল আগামী মার্চ মাসে আসছেন ঢাকায়।

২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার, হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘‘ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট ২০২০’’।

এ সামিটে বিশ্বের মার্কেটিং নেতৃবৃন্দ, ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট, মার্কেটিং দুনিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিবর্গ, সফল উদ্যোক্তা, নিউরোমার্কেটার, সামাজিক উদ্যোক্তা, ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুরা বক্তব্য প্রদান করবেন।

এ উপলক্ষ্যে বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০) এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে ‘ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট-২০২০’ সর্ম্পকে ব্রিফিং করেন নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ।

বাংলাদেশে এই সামিট অনুষ্ঠিত হওয়ার কেন দরকার এমন প্রশ্নে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জানান, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট (ডব্লিউএমএস) হলো বিশ্বব্যাপী একটি স্বতন্ত্র সংগঠন, যার প্রধান কার্যালয় হলো কানাডার টরেনটোতে। ২০১১ সালে আধুনিক মার্কেটিং এর জনক ফিলিপ কটলারের হাতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

এই সংগঠনের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের একত্রিত করা যার ফলে দারিদ্র বিমোচন, ব্যবসার প্রসার, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নতি সাধন করা যায়। এই সম্মেলনের মাধ্যমে দেশী -বিদেশী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠবে এবং আধুনিক মার্কেটিং এর বিস্তার ঘটবে।

আসন্ন সামিটে ইন্টারন্যাশনাল স্পিকার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিটের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ফিলিপ কটলার, বিজনেস ইকোনোমিকের বিখ্যাত প্রফেসর ড. মার্ক অলিভার অপ্রেসনিক, ইংল্যান্ডের সাফলক ইউনিভার্সিটির মার্কেটিংয়ের প্রফেসর লুইজ মাউনটিনহোও কটলার ইমপ্যাকট ইনকরপোরেটেড এর সিইও সাদিয়া কিবরিয়া।

ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট-২০২০

সংবাদ সম্মেলনে প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম কটলার এওয়ার্ড প্রদান করা হচ্ছে। দেশে করপোরেট লিডারদের মধ্যে যারা বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছেন এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে তাদেরকে এ সামিটে উক্ত এওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মনে করে তারা ব্যবসায় উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রেখেছে, তাহলে ফিলিপ কটলার এ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

লাইফটাইম এচিভমেন্ট, মাস্টার-ক্লাস এচিভমেন্ট, আইকোনিক এচিভমেন্ট ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এচিভমেন্ট এই চারটি ক্যাটাগারিতে সর্বমোট ২৮টি এওয়ার্ড প্রদান করা হবে উক্ত অনুষ্ঠানে।

কটলার এওয়ার্ড জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০’।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশীদের মধ্যে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল, মাননীয় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ. রহমান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট বিপণন নেতৃবৃন্দ, ব্যবস্থাপক, পরিচালক ও বিপণন পেশাজীবীরা নিবন্ধন করে অংশহগ্রহণ করতে পারবেন।

এছাড়া, দেশ সেরা প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থদের সঙ্গে বিশেষ অধিবেশনে মতবিনিময় (মাস্টার ক্লাস) করবেন ফিলিপ কটলারের বিশেষ টিম।

লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ্য, ‘এবারের সামিটটি আয়োজন করেছে কটলার ইমপ্যাকট ইনকরপোরেটেড এবং তাদের সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করছে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।’

ঢা/এসএমআর/আরকেএস

(Visited 9 times, 1 visits today)