‘পানির দরে’ পশুর চামড়া

‘পানির দরে’ পশুর চামড়া
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা১৮ প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আযহার (কোরবানি) পশুর চামড়া এ বছর বিক্রি হচ্ছে পানির দরে। আগেই দাম নির্ধারণ ও রপ্তানির ঘোষণা দেয়ার পরও রাজধানীসহ সারাদেশে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে চামড়া। ঠেকানো যায়নি বিপর্যয়। তবে, এবার মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দেখা যায়নি।

প্রকারভেদে প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০ থেকে ৪০০ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১০ টাকায় কেনা হয়েছে। তবে বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৫০০ টাকায় নেয়া হয়।

বগুড়ায় শনিবার বড় বড় ব্যবসায়ীরা দোকান বা রাস্তার পাশে বসে দিনভর চামড়া কিনেছেন। মূল্য কম হওয়ায় অনেক কোরবানিদাতা চামড়া বিক্রি না করে মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন। চামড়ার বাজারে ধস নামায় দুস্থরা বঞ্চিত হয়েছেন। আলেম সমাজ ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

‘পানির দরে’ পশুর চামড়া। সংগৃহীত ছবি

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহরের চকসুত্রাপুর, বাদুড়তলা, ১ নং রেলগেট এলাকায় বেলা ১১টার পর থেকে চামড়া কেনাবেচা শুরু হয়। গরুর চামড়া ১০০ টাকা (গাভী) থেকে ৪০০ টাকায় (ষাঁড়) বিক্রি হয়। তবে বড় সাইজের গরুর চামড়া (২৫-৩০ বর্গফুট) ৫০০ থেকে ৫৫০টাকায় কেনা হয়েছে। ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে, ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকায়। ভেড়ার চামড়ার দাম দেয়া হয়নি। বিক্রেতারা গরু বা ছাগলের চামড়ার সঙ্গে ফ্রি দিয়ে গেছেন।

চামড়া বিক্রেতা আবদুর রহিম ও লতিফুর রহমান জানান, গত বছর চামড়ার বাজারে ধস নামে। এ বছর মূল্য আরও কম। তাদের আনা প্রতিটি চামড়ার দাম থেকে ১০০ থেকে ৩৫০ টাকার বেশি দেয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা চামড়া দিয়ে গেছেন।

‘পানির দরে’ পশুর চামড়া। সংগৃহীত ছবি

শহরের বাদুড়তলার চামড়া ব্যবসায়ী মো. সবুর জানান, তিনি ১০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে গরুর চামড়া ও ১০ থেকে ১৫ টাকায় ছাগলের চামড়া কিনেছেন। তিনি ভেড়ার চামড়া নেননি।

ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদ দাবি করেন, তিনি প্রতিটি গরুর চামড়া ৩০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকায় কিনেছেন। গত বছরের চেয়ে এবার চামড়ার বাজার মন্দা। তবে সব চামড়া ব্যবসায়ী বাজার ধসের জন্য ঢাকার ট্যানারি মালিকদের দায়ী করেন।

ঢা/কেএম

আগস্ট ২, ২০২০ ১:৪৬

(Visited 53 times, 1 visits today)