পর্যটকদের মাস্ক ব্যবহারে অনীহা মৌলভীবাজারে বাড়াচ্ছে করোনাঝুঁকি

  •  
  •  
  •  
  •  

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সরকারি বিধিনিষেধের কারণে পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের সময় মাস্ক পরে ঢুকলেও পরবর্তী সময়ে তা আর ব্যবহার করছেন না অধিকাংশ পর্যটক। এতে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের পর্যটন এলাকায় নভেল করোনাভাইরাসের সাংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।এদিকে পর্যটন এলাকায় মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে প্রশাসন। তার পরও পর্যটকদের আচরণের পরিবর্তন আনা যাচ্ছে না।

গতকাল সকালে কমলগঞ্জের মাধবপুর লেক ও লাউয়াছড়া পর্যটন কেন্দ্রে বেড়াতে আসা বেশির ভাগ পর্যটকের মাঝে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকরা মাস্ক লাগিয়ে পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। কিন্তু প্রবেশের পর পরই মুখ থেকে মাস্ক খুলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অধিকাংশ পর্যটক। কিছুক্ষণ অনুসরণের পর কথা হয় ফরিদুল আলম নামে এক পর্যটকের সঙ্গে। মাস্ক খুলে রাখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমরা তিন বন্ধু অনেক দূর ঢাকা থেকে সকালে এখানে বেড়াতে এসেছি। সঙ্গে মাস্ক আছে কিন্তু ব্যবহার করা হয়নি। এ সময় অন্য দুজনও নিজ নিজ পকেট থেকে মাস্ক বের করে বলেন,আমরা মাস্ক সঙ্গে রাখি।

বোয়ালখালী থেকে বেড়াতে আসা যুবক তাহিন আলম,নাজিম বলেন,মাস্ক পরে কী হবে?আমরা করোনার চেয়ে শক্তিশালী। আমাদের কিছু হবে না। কমলগঞ্জের মাধবপুর লেক ও শ্রীমঙ্গলের বধভূমির পর্যটন এলাকায় একই দৃশ্য দেখা গেছে।

এ সময় কথা হলে মাস্ক পরিহিত ঢাকার বনানী এলাকার মো.মোরশেদুল করিম বলেন,পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের সদিচ্ছার ঘাটতি দেখা যায় না। কিন্তু পর্যটকদের মাস্ক ব্যবহারে অনীহা রয়েছে। ফেনী থেকে আসা ইমতিয়াজ বলেন,অতীতে অনেকবারই স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে নানা ঔদাসীন্য দেখা গেছে। আমরা এর পুনরাবৃত্তি চাই না।

এসব বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গলে লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোতালেব হোসেন বলেন,নো মাস্ক নো এন্ট্রি লাউছড়ায়। এছাড়াও তিনি বলেন,স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য আগত পর্যটকদের বলা হচ্ছে। যাদের মাস্ক নেই তাদেরকে টিকেট কাউন্টার থেকে মাস্ক সংগ্রহ করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। এর পরও কেউ সরকারি নিষেধাজ্ঞা না মানলে প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

ঢা/এসআর/আইএইচই

ডিসেম্বর ৫, ২০২০ ৬:৫৭

(Visited 26 times, 1 visits today)