ডাক্তারের লাগাতার ধর্ষণে প্রাণ গেল আইসোলেশনে থাকা মহিলার!

বড় বোনকে ধর্ষণের চেষ্টা, ছোট বোনকে অপহরণ
  •  
  •  
  •  
  •  

নিউজ ডেস্ক: করোনা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা এক মহিলা দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তারের লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাড়ি ফিরেই মারা যান ২৫ বছর বয়সী ওই মহিলা।

কিছুদিন আগেই গর্ভপাত হয়েছিলো তার৷ শরীরে গর্ভপাতের ধকল নিয়েই অনেক দূরত্ব পাড়ি দিয়ে স্বামীর সঙ্গে শ্বশুড়বাড়িতে ফিরেছিলেন ওই মহিলা৷ কিন্তু কে জানতো যে লকডাউন উঠে গেলেও আর ফিরতে পারবেন না তিনি!

লকডাউনের মধ্যেই ২৫শে মার্চ লুধিয়ানা থেকে বিহারের গয়ায় ফিরে আসেন স্বামী-স্ত্রী৷ তখন ২ মাসের অন্ত্বঃসত্তা ছিলেন ওই নারী৷ কিন্তু অভাবের সংসারে এখনই সন্তান না চাওয়ায় গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা, এরপর লুধিয়ানায় গর্ভপাত করান তিনি।

গয়ার ফিরে আসার পর আবারো রক্তক্ষরণ হতে থাকলে অনুগ্র নারায়ণ মগধ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয় তাকে, রাখা হয় এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে৷ এরপর ১ এপ্রিল করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা করে তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়৷

আইসোলেশনে থাকাকালীন ওই নারীর ওপর চালানো হয় যৌন অত্যাচার৷ মৃত্যুর আগে, দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন নিগৃহীতা৷

তিনি জানিয়েছিলেন যে পরপর দু’দিন তাকে ধর্ষণ করা হয়৷

পরে শরীরে করোনার জীবাণু না মেলায়, হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই নারীকে৷ কিন্তু বাড়ি ফিরে তিনি ভীত এবং অন্যমনস্ক হয়ে থাকতেন, রক্তপাতও বেড়েছিল তার৷ এসব দেখে শাশুড়ি তাকে জিজ্ঞাসা করলে সমস্ত ঘটনা শাশুড়িকে জানান ওই নিগৃহীতা৷

সবকিছু জানানোর পরই মৃত্যু হয় ওই নারীর৷

এরপর মহিলার শাশুড়ি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেও চিকিৎসককে সনাক্ত করা যায়নি৷

এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

ঢা/আরকেএস

(Visited 389 times, 3 visits today)