চাকরির জন্য অফিসে ডেকে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা১৮ ডেস্ক : চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে রাজধানীর বাড্ডা প্রগতি সরণির একটি অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে (১৮) বছরের তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সহযোগী দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রকৃত আসামি পলাতক রয়েছেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন আসামি প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাহিদ হাসানকে (৪৫) ও অপারেশন ম্যানেজার শহীদুল হককে (৪৫)। গতকাল পুলিশ শহীদুলকে আদালতে পাঠিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। আর জাহিদকে আজ (রোববার) আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।

পুলিশ জানায়, পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা ওই তরুণী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর চাকরির খোঁজে ঢাকার বাড্ডায় এসে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওঠেন। চাকরি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরই মধ্যে বাড্ডার ময়নারবাগ এলাকার জসিম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। জসিম তাঁকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। গত ১৭ জুলাই তাঁকে নিয়ে বাড্ডার প্রগতি সরণির গ-৯৭/১ নম্বর ভবনের চতুর্থ তলায় শেল্টার সিকিউরিটি সার্ভিসেস বিডি লিমিটেডের অফিসে যান জসিম। দুপুর আড়াইটার দিকে সেখানে একটি কক্ষে ঢোকার পর শহীদুল হক বাইরে থেকে তালা মেরে দেন। আর জসিম তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এতে সহায়তা করেন জাহিদ হাসান। পরে তরুণী লজ্জায় কাউকে কিছু না বলে আত্মীয়ের বাসায় চলে যান। এরই মধ্যে তিনি একটি অনলাইন শপিংয়ে চাকরি পান। সেখানে সহকর্মীদের কাছে ঘটনা খুলে বলেন। পরে গত শুক্রবার রাতে তাঁকে নিয়ে বাড্ডা থানায় যান সহকর্মীরা। গতকাল তরুণীকে পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়।

মামলাটির তদন্তকারী বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বলেন, ‘এই ঘটনায় প্রধান আসামি জসিম পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এই প্রতিষ্ঠানে আগেও এমন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ’

ঢা/কেএম

জুলাই ২৬, ২০২০ ১১:১৭

(Visited 23 times, 1 visits today)