করোনা পরিস্থিতির অবনতি, দুই মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৩৯, ৭১ দিনের মাথায় বেশি শনাক্ত

করোনা পরিস্থিতির অবনতি, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩৯, ৭১ দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা১৮ প্রতিবেদক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরও দুই হাজার ২১২ জন।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩৯ জনসহ মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ২৫৪ জনে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ২১২ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৪ জনে পৌঁছেছে। আরও ১ হাজার ৭৪৯ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১৩ দশমিক শূন্য ৮৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮০ দশমিক ৮১ শতাংশ। এছাড়া শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।

করোনায় মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৯ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১০জন এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২৪ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২২ জন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, রাজশাহীতে তিনজন, বরিশালে ‍দুজন, সিলেটে দুজন এবং রংপুর বিভাগে পাঁচজন রয়েছেন।

এর আগে সর্বশেষ গত ০৭ই সেপ্টেম্বর ২ হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। সেদিন আক্রান্ত হয়েছিল ২২০২ জন। ওই দিন মারা গিয়েছিল ৩২ জন।

বাংলাদেশে এরই মধ্যে শীত আসি আসি করছে। গ্রামাঞ্চলে এরই মধ্যে কিছুটা শীতল আবহাওয়া দেখা দিয়েছে।

গত বিশে সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বাংলাদেশে শীতকালে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়বে।

পরবর্তী দিনগুলোতে অনেক বিশেষজ্ঞই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেণ্ড ওয়েভ দেখা দেবে এই শীতকালেই।

পরবর্তী দিনগুলোতে অনেক বিশেষজ্ঞই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেণ্ড ওয়েভ দেখা দেবে এই শীতকালেই।

এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরণের প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছিল। যার মধ্যে একটি ছিল মাস্ক পড়তে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা। এর আওতায়ই নো মাস্ক নো সার্ভিসের মতো কর্মসূচী পরিচালনা করা হয়।

এমনকি বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় মাস্ক না পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মানুষকে জেল-জরিমানার মতো পদক্ষেপ নিতেও দেখা যায়।

আর এরকম ভবিষ্যদ্বানির প্রেক্ষাপটে এখন বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশই উত্থান দেখা যাচ্ছে।

এরই মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে কথা বলে যানা যাচ্ছে, ক্রমশই সেখানে রোগীল সংখ্যা বাড়ছে। অনেক হাসপাতালেই রোগী ফেরত দেয়া হচ্ছে আসন সংকটের কারণে। সংকট তৈরি হয়েছে আইসিউ বিছানারও।

ঢা/আইএইচই

নভেম্বর ১৭, ২০২০ ৪:৪০

(Visited 51 times, 1 visits today)