করোনাকালে আপনার পাশে ‘আর এক্স মেডিসিন’

করোনাকালে আপনার পাশে 'আর এক্স মেডিসিন'
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা মহামারীর মধ্যে স্থবির হয়ে আছে গোটা বিশ্ব। করোনা যেন তার সবটুকু শক্তি দিয়ে ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে, ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বের প্রতিটি দেশের স্বাভাবিক চিত্র। ভিন্ন অবস্থানে নেই বাংলাদেশ, এদেশেও করোনা তার তান্ডব চালাচ্ছে বিধ্বংসী ভাবে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন হয়ে দাড়িয়েছে যে প্রাণ বাচাতে হলে ঘরে থাকতে হবে। সে না হয় থাকা গেল কিন্তু ঘরের বাইরের যেসব জরুরি প্রয়োজন আছে সেগুলো মেটানোর উপায় কি।

বাঁচতে হলে খাদ্যের প্রয়োজন আর খাদ্যের যোগান দিতে কর্ম। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ কাজ ঘরে থেকেই হচ্ছে, করোনা শিখিয়েছে ঘরে থেকে অফিস করার নতুন পদ্ধতি। আর যারা ঘরের বাইরে গিয়ে কর্মক্ষেত্রে যোগ দিচ্ছেন তারা মানছেন সামাজিক দুরত্ব, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি। এসব প্রয়োজন কোনভাবে মেটানো গেলেও মূল সমস্যাটা থেকেই যাচ্ছে। যেই প্রাণটাকে বাঁচানোর জন্য আমাদের এত চেষ্টা এত সাবধানতা, অসুস্থ হলে সেই প্রাণটা বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ বা স্বাস্থ্যসেবা আমরা ঠিকমত পাচ্ছি তো?

করোনা মহামারীতে এই বিষয়টি একটু কঠিনই হয়ে গেছে। করোনায় সবকিছু যেমন গৃহকেন্দ্রিক হয়ে গেছে তেমনি ভাবে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসেবা ঘরে বসেই পাওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে ভাল করে ভাবেনি বেশিরভাগ মানুষই। অথচ সামাজিক দুরত্ব, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মানা অসুস্থ মানুষদেরই বেশি প্রয়োজন কারন তারা এমনিতেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।

অসুস্থ ব্যক্তিরা যদি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা এবং দরকারি ওষুধ ঘরে বসেই পেতেন তাহলে তাদের হাসপাতালে যাওয়ার বা ওষুধ সংগ্রহে বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হতো না। এতে করে তারা সংক্রমণের ঝুঁকি যেমন এড়াতে পারতেন তেমনি মূল্যবান সময়কে অপচয় হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারতেন।

এছাড়া এখনকার পরিস্থিতিতে একটু রাত হয়ে গেলেই জরুরি ওষুধ সংগ্রহ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কখন কোন ওষুধটা প্রয়োজন হয় তাতো আর আগে থেকে বলা যায় না তাই আগে থেকেই সব ওষুধ সংগ্রহে রাখার বিষয়টিও সম্ভব নয়। মাঝে মধ্যে দেখা যায় যে রোগীর খুব খারাপ অবস্থা, তাকে ডাক্তার দেখানোটা জরুরি।

কিন্তু তাৎক্ষণিক রোগীকে ডাক্তারের কাছে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না অথবা রোগীর জন্য একটি ওষুধ প্রয়োজন কিন্তু সেই মুহূর্তে ফার্মেসি খোলা পাওয়া যাচ্ছে না বা কোন কারনে ফার্মেসিতে যাওয়া যাচ্ছে না। এই দুই অবস্থাতেই একজন রোগী মৃত্যুঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এ তো গেল সমস্যার কথা। সমস্যা যেমন আছে তেমনি আছে সমাধান। উপরে উল্লিখিত প্রতিটি সমস্যার সমাধান নিয়ে মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছে ‘আর এক্স মেডিসিন’।

‘আর এক্স মেডিসিন’ একটি ফর্মেসির নাম, ফার্মেসিটি ঢাকার উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত। এই করোনাকালে ঘর থেকে বের না হয়েই যাতে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করতে পারেন সেই কথা মাথায় রেখে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছে ‘আর এক্স মেডিসিন’।

কথা হয় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান মাহফুজুর রহমান টুটুল এর সাথে। তিনি জানান, এমন ভয়ানক দুর্যোগে মানুষের দিকে সেবার হাত বাড়িয়ে দেয়া দরকার। আর এই বিষয়টি বিবেচনা করেই আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার।

ঢা/আরকেএস

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ ৯:০৫

(Visited 265 times, 1 visits today)