এ ভোগান্তির শেষ কোথায়?

সরকারি হাসপাতালে করোনা শনাক্তের পরীক্ষায় ফি দিতে হলেও ভোগান্তি কমেনি সেবা প্রত্যাশীদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পরীক্ষা করাতে না পারার অভিযোগ রয়েছে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে। রাজধানীর বাইরেও সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে করোনা পরীক্ষা করাতেও হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগীরা জানান, তিন থেকে চারদিন ঘুরেও সিরিয়াল পাচ্ছেন না তারা। আবার লাইনে না দাঁড়িয়েও কেউ কেউ টিকিট পেয়ে যাচ্ছেন। শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিতে তেমন কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আছে সংক্রমণের ঝুঁকিও। পরিস্থিতির উন্নয়নে দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সাধারণ মানুষ।

সরকার নির্ধারিত ফি’তেই করোনা পরীক্ষা করছে মুগদা জেনারেল হাসপাতাল। পরীক্ষা করাতে আসা সবাইকে দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা। অন্যদিকে, বেসরকারি উদ্যোগে করোনা পরীক্ষার স্থানগুলোতে দেখা দিয়েছে কিট-সংকট। ফলে কমিয়ে দেয়া হয়েছে নমুনা সংগ্রহ।

চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মেডিকেলে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করাতে আসা মানুষের সংখ্যা কম। বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আসা নিম্নআয়ের রোগীরা বলছেন, খরচ যোগাতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের। আর মধ্যবিত্তদের অভিযোগ, টাকা দিয়েও টোকেন মিলছে না; চলছে সিরিয়াল বাণিজ্য। তার উপর রিপোর্ট পেতে লাগছে ১০ থেকে ১২ দিন।

দেরিতে রিপোর্ট হাতে আসায় অনেকেই এ সময়ের মধ্যে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। কেউবা আবার রিপোর্ট পাওয়ার আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠছেন।

(Visited 1 times, 1 visits today)