এন্ড্রু কিশোরকে বিদায় জানাবে ১৫ জুলাই

বিনোদন ডেস্ক: এন্ড্রু কিশোরের শেষকৃত্যানুষ্ঠানের জন্য আগামী ১৫ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছে পরিবার।

জানা গেছে, করোনার কারণে ১৪ জুলাইয়ের আগে শিল্পীর একমাত্র মেয়ে সংজ্ঞা অস্ট্রেলিয়া থেকে রাজশাহী ফিরতে পারছেন না।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে এ তথ্য জানান প্রয়াত এই শিল্পীর বোন জামাই ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস।

এ সময় তার সঙ্গে সদ্য প্রয়াত সংগীত তারকা এন্ড্রু কিশোরের বন্ধু ড. প্রফেসর দিপকেন্দ্র নাথ দাস ও তার শেষ সময়ের দেখভালের দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম বাবু উপস্থিত ছিলেন।

ডা. প্যাট্টিক বিপুল বিশ্বাস বলেন, ‘তার দুই সন্তানের জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরার টিকিট পাওয়া গেছে। কিন্তু টিকিট যে কোনো সময় বাতিলও হতে পারে।

তবে সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত দেড়টায় এন্ড্রু কিশোরের ছেলে এন্ড্রু জুনিয়র সপ্তক (২৪) অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরবেন।

ওনার মেয়ে সজ্ঞার (২৬) ফিরতে দেরি হচ্ছে। সে ফিরবে ১৩ জুলাই রাতে। ১৪ জুলাই ঢাকা হয়ে রাজশাহী পৌঁছাবে। ১৫ জুলাই সকালে আমরা এন্ড্রু কিশোরের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরু করবো।’

ডা. প্যাট্টিক বিপুল বিশ্বাস বলেন, ‘সজ্ঞা ফেরার পর ১৫ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে আমরা মরদেহ চার্চে নেবো। সেখানে ধর্মীয় আচার শুরু করা হবে।

এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এন্ড্রু কিশোরের ইচ্ছে অনুযায়ী সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে যোহরের নামাজের আগ পর্যন্ত এন্ড্রু কিশোরের মরদেহ রাখা হবে। তার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ভক্তদের শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে।’

তিনি আরো জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যাল থেকে মরদেহ রাজশাহী কলেজে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে ভক্ত-অনুরাগীদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত তার মরদেহ রাখা হবে। শ্রদ্ধা জানানো শেষে এন্ড্রু কিশোরের মরদেহ মহানগরীর সিএনবির মোড় এলাকায় থাকা বাংলাদেশ চার্চের কবরস্থানের সমাধিস্থলে নেওয়া হবে।

বিকেলে ৪টার পর তার মরদেহ সেথানে সমাহিত করা হবে বলেও জানান ডা. প্যাট্টিক বিপুল বিশ্বাস।

এন্ড্রু কিশোরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. প্রফেসর দিপকেন্দ্র নাথ দাস জানান, প্রায় আড়াই বছর আগেই তাকে সমাধিস্থ করার জায়গা দেখিয়ে গেছেন এন্ড্রু কিশোর। তাকে সঙ্গে নিয়ে সে জায়গা দেখিয়েও দিয়ে গেছেন।

জায়গাটি হচ্ছে- বাংলাদেশ চার্চের গোরস্থানের প্রবেশমুখ দিয়ে ভেতরে ঢুকেই হাতের বা পাশে। যেখানে একটি ঘর আছে। তাই শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী সেখানেই অনন্তকালের জন্য তাকে সমাহিত করা হবে। এর অদূরেই তার বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে।

ঢা/মমি

(Visited 3 times, 1 visits today)