একজন জীবন রক্ষাকারী ও নব জীবন দেয়া ডাক্তারের গল্প!

  •  
  •  
  •  
  •  

শত সীমাবদ্ধতা ও শত প্রতিকুলতার মধ্যেও মানব সেবা দান করে সফল্য পেতে পারেন ও জনপ্রিয় হতে পারেন তার উদাহরণ আমাদের সমাজে অনেক রয়েছে।

মানব কল্যাণ করে মানুষ যে অসীম ক্ষমতাধর ও অতি মানব হয়ে ওঠেন তা আজ আবারো প্রমাণিত হয়েছে।

বাংলাদেশ’সহ বাংলা ভাষাভাষি মানুষ যে স্বাস্থ্য সচেতন ও লাইফস্টাইল বদলে নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছেন তার সবটুকু কৃতিত্ব একমাত্র তার।

লাখো কোটি বাঙালী তার ফলোয়ার। এমনই একজন ফেসবুক ডাক্তার নামে খ্যাত অতি মানব ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবির।

ব্যক্তি আমার সাথে তার পরিচয় নেই বটে, তবে তার একজন অনুসারী হয়ে আমি নিজেকে পরিবর্তন করতে পেরে আল্লাহর কাছে শুক্রিয়া আদায় করছি।

তার কর্ম পদ্ধতি ফলো/মান্য করে উপকার পাননি এমন কারও সাথে আমার পরিচয় হয়নি এখনো।

প্রতিদিনই আমরা তার লাইভ ভিডিওগুলো দেখি ও জীবন পদ্ধতিতে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি।

তার সাথে দেখা না করে শুধু তার কথা মতো কাজ করে আমি ১৩ কেজি ওজন কমিয়েছি। জীবন যাত্রায়ও এনেছি পরিবর্তন।

তার ফলোয়ার যাদের সাথেই আমার বন্ধুত্ব বা পরিচয় হয়েছে তাদের জীবনে দেখছি আমুল পরিবর্তনের ছোঁয়া।

এমন একজন যশোর এর প্রথম আলোর প্রতিনিধি জনাব মনিরুল ইসলাম। ওজন কমানোর পাশাপশি তিনি এখন স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠেছেন। মনিরুলের মতো হাজার, লাখ ও কোটি বাঙালির কাছেই আজকের এ বার্তা পৌঁছেছে যে স্বাস্থ্য সচেতনতার বিকল্প নেই।

আর প্রতিনিয়তই এ বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন বাঙালীর ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবির। মানবের কল্যাণে তার যে ভূমিকা আজ সারা বিশ্বই বাঙলা ভাষি মানুষের সমৃদ্ধ করছে স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল নিয়ে।

সম্প্রতি তার চেম্বার ৩২, আফতাব নগর হাইটস এ গিয়েছিলাম। তার স্টাফ ও সহকর্মীদের ব্যবহারেও মুগ্ধ হয়েছি।

তার চিকিৎসা সেবাটি যে সত্যিকার অর্থে মানব কল্যাণে নিবেদিত তা নিজ চোখে দেখে বুঝেছি। তবে এ কথা সত্যি যে তার এ জনপ্রিয়তার ফলে তার নাম ব্যবহার করে একটি সুযোগ সন্ধানী গ্রুপ স্বার্থ হাসিলে তৎপর।

দেড়শত টাকা সাধারণ মানের এ্যাপেলসিডর ভিনেগার এখন ৪০০ টাকা। আর এ্যাপেলসিডর ভিনেগার মাদার এর দাম হকানোর কথা নাই বা বল্লাম।

করোনা ভাইরাসের কারনে পনের টাকার মাস্ক এখন একশত টাকা ছাড়িয়েছে। বাজারে বিক্রি বেশি হলে দাম কমার চেয়ে এখনে তার উল্টোটা হচ্ছে। যাক সেসব কথা।

প্রতিনিয়ত আমরা শুনছি ও বাস্তবিক ভাবেই দেখছি বাঙালী স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠছেন। বাজারে গেলেই দোকানে সাজানো থাকতে দেখি এ্যাপেলসিডর ভিনেগার, বাদাম, এক্সট্রা ভার্জিন ওয়ালিভয়েল, বাটার, ঘি, হিমালয়া সল্ট’সহ সহ স্বাস্থ্য সচেতন পণ্য।

তবে এর পাশাপশি সম্প্রতি এক অভিযানে দেখলাম নকল ভিনেগার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতন পণ্যগুলো এক শ্রণীর অসাধু ব্যবসায়ী বানানো শুরু করেছে।

এসব অপতৎপরতাকরী ও চোরা কারবারীদের বিষয়ে আমাদের সোচ্চার থাকতে হবে। বন্ধ করে দিতে হবে তাদের অসাধু ব্যবসা।

তবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট অপতৎপরতাকারী সকলকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও হতে হবে তৎপর।

মানব কল্যাণে নিবেদিত ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম নামের এ মানুষটি খুব পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করেন। নিজে সচেতন হয়ে ও পরিচ্ছন্ন জীবন পদ্ধতি অবলম্বন করে অন্যকে সচেতন করছেন।

নিয়মিতই আয়োজন করছেন ম্যারাথন এর। তার ফলোয়াররাও স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে যোগ দিচ্ছেন এসব সামাজিক কর্মকান্ডে।

হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত রোগী দেখে সামাজিক কর্মকান্ড অংশ নিচ্ছেন নিয়মিত। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ রোগী দেখেন তিনি।

তার চেম্বারে আলাপ করে জানলাম আগামী মে মাস পর্যন্ত তার কোন সিরিয়াল বাকী নেই। এমন একজন পরোপকারী, দয়ালু, বিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ মানুষকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা।

লেখক: বিল্লাল বিন কাশেম, সাবেক কূটনৈতিক প্রতিবেদক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক।

ঢা/তাশা

(Visited 16 times, 1 visits today)