ইপিজেড-ইজেড এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বয়ে জোরারোপ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ইজেড এবং ইপিজেডের পুরোপুরি অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে ব্যাংকিং খাতের মাঝে সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতি জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

সোমবার বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) ‘বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন ইন ইপিজেড/ইজেড বাই ব্যাংকস বিষয়ক’ শীর্ষক গবেষণা কর্মশালার এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ নজরদারির কথা উঠে এসেছে গবেষণা কর্মশালায়।

কর্মশালায় বলা হয়, সরকার ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। এসব ইজেড এবং ইপিজেডের পুরোপুরি অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

অন্যান্য অবকাঠামো ও প্রণোদনা সংক্রান্ত সহযোগীতার পাশাপাশি সহায়ক ব্যাংক ও ঋণ সেবা দেওয়া জরুরী।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম. মনিরুজ্জামান।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিআইবিএম-এর সুপারনিউমারারি অধ্যাপক এবং পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী; বিআইবিএম-এর সাবেক সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি; ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবু জাফর; এইসএসবিসি ব্যাংকের গ্লোবাল ট্রেড এবং রিসিভেবল ফাইন্যান্স বিভাগের কান্ট্রি হেড মোহাম্মদ শহিদুজ্জামান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএম-এর ড. মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইবিএম-এর অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড.শাহ মো. আহসান হাবীব।

কর্মশালায় মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএম-এর অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড.শাহ মো. আহসান হাবীব।

কর্মশালায় গবেষণা দলে অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন- বিআইবিএম-এর সহকারি অধ্যাপক অন্তরা জেরীন এবং তোফায়েল আহমেদ; বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক আনিসুর রহমান; বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক প্রদীপ পাল; বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস তানিয়া; বিইপিজেড-এর মহাব্যবস্থাপক মোঃ তানভীর হোসেন; ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের এসইভিপি রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী; এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম।

কর্মশালার উদ্বোধন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম. মনিরুজ্জামান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরে কাজ করছে সরকার।

এজন্য ১০০ টি সরকারি এবং বেসরকারি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পণ্যের বৈচিত্র্য আনয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রফতানি বাড়ানো।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংকারদের বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

ব্যাংকারদের এলসি এবং আনুষাঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।

বিআইবিএম-এর সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে দক্ষ জনবল তৈরি জরুরী।

দক্ষ জনবল ছাড়া উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা কঠিন। তিনি ব্যাংকারসহ সব খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর জোরারোপ করেন।

সমাপনী বক্তব্যে বিআইবিএমের চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, এখন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং রফতানি ভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা। ইপিজেড এবং ইজেড এ লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

ঢা/এমএম

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

***ঢাকা১৮.কম এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ( Unauthorized use of news, image, information, etc published by Dhaka18.com is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws. )