আমরা মর্মাহত

  •  
  •  
  •  
  •  

পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষার্থে ও বাংলাদেশের উপকূলীয় অন্চল তথা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে “ফানফেষ্ট বীচ এ্যকটিভিটিজ” দীর্ঘ ৮ বছর যাবত অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারস্থ বাংলাদেশ বনবিভাগ দপ্তরের আওতাধীন সবুজ বনায়ন প্রকল্প, ফানফেষ্ট বীচে ঝাউবন রোপন করে, সম্প্রতি কক্সবাজার থেকে বদলী হওয়া বনরক্ষকের উদ্যোগে।

কিন্ত গত ২রা নভেম্বর দিনে কিছু অপরিচিত ব্যাক্তি কক্সবাজারস্থ বনবিভাগ অফিসে বর্তমানে নিয়োগপ্রাপ্ত বনরক্ষকের আদেশক্রমে পরিচয় দানকারী সেখানে অতর্কিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে উক্ত রোপনকৃত ঝাউবন এবড়োথেবড়োভাবে উপড়ে ফেলে। ফানফেস্ট বীচ এক্টিভিটিস এর ষ্টাফ দ্বারা ভিডিও গ্রহণকালে তাকে হুমকি ও মারধর করা হয় ও তার ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। পরের দিন ৩রা নভেম্বর ভোর সকালে বিনা অনুমতিতে ফানফেষ্ট বীচ এ্যকটিভিটিজ – কর্তৃপক্ষের বাধা সত্ত্বেও এর কিছু অস্থায়ী স্থাপনা-সরন্জামাদিসহ জোরপূর্বক ভাংচুর এবং আনুমানিক ৩০ লক্ষধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে। এতে ফানফেষ্ট বীচ এর সৌন্দর্য বিনষ্ট হয় ও ওইদিনে প্যারাসেইলিং করতে আসা বীচে আগত সকল দেশী-বিদেশী পর্যটক ও অতিথিদের মধ্যে এই ধ্বংসযজ্ঞ দেখে ভীতির সন্চার ঘটে, এতে তাদের নিরাপত্তা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়।

আমরা ফানফেষ্ট বীচ এ্যকটিভিটিজ এর পক্ষে – উক্ত অনৈতিক ও ঘৃনিত কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জ্ঞাপন করছি। বন বিভাগের নামে পরিচয় দানকারী আগত ঝাউবন উৎপাটনকারী-স্থাপনা ভাংচুরকারী দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের সংস্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহবান জানাই।

সর্বোপরি, আমরা এই মর্মে দেশ-বিদেশের আগত পর্যটক, ফানফাস্টের শুভানুধ‌্যায়ী এবং সর্বসাধারনকে জানাতে চাই, উপরোক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণে ফানফেষ্ট বীচ এ্যকটিভিটিজ বদ্ধ পরিকর।

(Visited 8 times, 1 visits today)