আজ চীন থেকে দেশে ফিরবে ৩৪১ বাংলাদেশি

নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের কারণে চরম আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে চীনের নাগরিকরা। শুধু চীনেই নয় এই ভাইরাসের আতঙ্ক বিরাজ করছে বিশ্বজুড়ে।

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে এই ভাইরাস। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

রহস্যজনক প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে চীনসহ গোটা বিশ্বজুড়ে।

এরই মধ্যে দেশটির উহানে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে প্রয়োজনে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এরই মধ্যে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে চীনের মধ্যাঞ্চলের উহান শহরে আটকে পড়া ৩৪১ জন বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনতে বিমান পাঠানো হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান, বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার জন্য এরই মধ্যে চীন সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, চীন থেকে যাদের ফিরিয়ে আনা হবে তাদেরকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় সরকার সতর্কতা জারির ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান শাহরিয়ার আলম।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট তাদেরকে আনতে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ৩৪১ জন যাত্রী নিয়ে মধ্যরাতেই ঢাকায় পৌঁছাবে বিমানটি। দেশে ফিরিয়ে আনার পর তাদেরকে পর্যবেক্ষণে রাখতে রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্প এবং উত্তরার কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সেখানে তাদেরকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।এরই মধ্যে বেইজিংয়ের বাংলাদেশে দূতাবাস উহানের বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যাগের কথা জানিয়ে প্রস্তুতির জন্য নানা নিদের্শনা দিয়েছে।

খবর পেয়ে আগ্রহী বাংলাদেশিরা দেশে ফিরতে দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১৩: জরুরি অবস্থা জারি

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে নতুন করে আরও ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৩ জনে।

যাদের মধ্যে ২০৪ জনই করোনার উৎপত্তিস্থল উহান শহরের নাগরিক। বাকিরা দেশটির অন্যান্য শহরের বলে জানিয়েছে হুবেই প্রদেশ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পুরো বিশ্বকে পদক্ষেপ নিতে সতর্ক করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) হু।

সংস্থাটির জরুরি স্বাস্থ্য প্রোগ্রামের প্রধান ড. মাইক রায়ান এ ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারন করার আশংকা প্রকাশ করেছেন।

চীনে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক বাড়ছেই। বড় হচ্ছে আক্রান্তের তালিকাও।এই ভাইরাস ছড়িয়েছে চীনসহ ২০টি দেশে।

মানুষের মাধ্যমে জার্মানি, ভিয়েতনাম এবং জাপানে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

চীনের বিভিন্ন শহর ছাড়াও থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নেপাল, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং তাইওয়ানে এই ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন এ ভাইরাসের নাম দিয়েছে `২০১৯ নভেল করোনা ভাইরাস’।করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এ পর্যন্ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে।

করোনা আতঙ্কে দেশটিতে সকল দেশের সফর বাতিল করা হয়েছে। করাকরি আরোপ করা হয়েছে চীনা ভিসা ও ভ্রমণের উপরেও।

দেশের পরিস্থিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এই ‘গুরুতর পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ভাইরাসটির বিষয়ে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য জরুরি’ অবস্থায় রয়েছে কিনা তা নিয়ে ফের সভায় বসে হু।করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

জেনেভায় এক জরুরি বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেয় সংস্থাটি।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইসাস বলেন, ‘এই ঘোষণার মূল কারণ শুধু চীনে কী হচ্ছে তা নয় বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশে কী ঘটছে সেটাও দেখতে হবে।

তিনি বলেন, উদ্বেগের আরেকটি কারণ হলো এই ভাইরাস দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থার দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে।

ড. টেড্রোস ভাইরাসটিকে একটি ‘অভূতপূর্ব প্রাদুর্ভাব’ হিসেবে বর্ণনা করেন যা ‘অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া’ সৃষ্টি করছে।

চীনের সঙ্গে বাকি বিশ্বের সরাসরি বিমান যোগাযোগ থাকার কারণে ভাইরাসটি চীনের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে চীনে সফর করেছেন এমন লোকজনের মাধ্যমেই এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক তৈরি করা এখনও সম্ভব হয়নি বিজ্ঞানীদের পক্ষে।যদিও চিকিৎসার মাধ্যমে বেশ কয়েকজনের সুস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

এদিকে, চীনে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস কোনওভাবেই যেন বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সারাদেশের সরকারি হাসপাতালে অনতিবিলম্বে আইসোলেশন ইউনিট খোলার নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

চীনে রহস্যময় এক নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশের হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ ভাইরাস হয়তো আর কিছুদিনের মধ্যে আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, এমন আশংকা রয়েছে।

ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট বা আইইডিসিআর বলছে, তারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে, কারণ চীন থেকে আসা সব বিমান এই বিমানবন্দর দিয়েই ওঠানামা করে।

এছাড়া অন্যান্য বন্দরেও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশে এখনো করোনা ভাইরাসে কারো আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আইইডিসিআর-এর পরিচালক ডা. সেবরিনা বলেন, স্বাস্থ্য-কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

বিমান বন্দরে স্থাপিত হেলথ ডেস্কে এসব কর্মীদের পাঠানো হচ্ছে।যেসব ফ্লাইট চীন থেকে আসছে সেসব ফ্লাইটের যাত্রীদের স্ক্যানিং করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যারা শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা- জ্বর,কাশি,গলা ব্যথা এসব নিয়ে আসছেন তাদের চেক করা হচ্ছে।’আইইডিসিআর চারটি হটলাইনও খুলেছে।

উল্লেখিত লক্ষণগুলো কারো মধ্যে দেখা গেলে এসব হটলাইনে ফোন করে জানানোর জন্য বলেছেন তারা।

নম্বরগুলো হচ্ছে:

০১৯৩৭১১০০১১

০১৯৩৭০০০০১১

০১৯২৭৭১১৭৮৪

০১৯২৭৭১১৭৮৫

আইইডিসিআর বলছে, কারো শরীরে এর কোন লক্ষণ দেখা গেলে তারা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখবেন।

এছাড়া বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন, এয়ারলাইন্সগুলো এবং এভিয়েশনে কাজ করা সবাইকে সচেতনও করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

বিমানবন্দরে যে এলইডি মনিটর রয়েছে সেখানে রোগের লক্ষণগুলো জানানো হচ্ছে এবং এবং কারো যদি এই লক্ষণগুলো থাকে তার হেলথ ডেস্কে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।

গত ডিসেম্বরে ইউহান শহরে প্রথম যে সংক্রমণের ঘটনা ঘটে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাকে করোনা ভাইরাস বলে শনাক্ত করেছিল।

গত সপ্তাহেই সিঙ্গাপুর, হংকং, সান ফ্রান্সিসকো, লস এঞ্জেলস এবং নিউইয়র্কে চীন থেকে আগত ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হচ্ছিল।

এবার বাংলাদেশেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও স্ক্রিনিং শুরু করার কথা জানানো হল কর্তৃপক্ষ থেকে।

এদিকে, ‘করোনা ভাইরাস’ প্রতিরোধে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীন থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম থেকে চীনে সরাসরি ফ্লাইট না থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য, দুবাই, ভারত হয়ে কানেকটিং ফ্লাইটে চীন থেকে অনেকে আসেন।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সরওয়ার-ই-জামান বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ চীন থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং করছে।

যদি কানেকটিং ফ্লাইটের কোনো যাত্রীর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ রয়েছে কিনা সেটির ওপর নজর রাখছেন চিকিৎসকেরা।

চীন থেকে আসা যাত্রীদের বিষয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জানাতে ইমিগ্রেশনে বলা হয়েছে।করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই বেশ সতর্ক রয়েছে। আর এই ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশও বেশ সতর্ক রয়েছে।

এই ভাইরাসটি উৎপত্তি হয়েছে চীনের উহান শহরের একটি মাছের বাজার থেকে। নিউমোনিয়া-সদৃশ এ ভাইরাসটি নতুন এক ধরনের করোনা ভাইরাস।

আর বাংলাদেশের পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল প্রকল্প চীনা কোম্পানির অধীনে কাজ চলছে।দেশের বিভিন্ন প্রকল্প চীনা কোম্পানি গুলি বাস্তবায়ন করে চলছে।

বাংলাদেশে টুরিস্ট হিসাবে চীনা লোকসংখ্যাও নেহাত কম নয়। তারা বাংলাদেশিদের সাথেও কাজ করছে। এর ফলে এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যদিও বাংলাদেশের বিমানবন্দর গুলিতে নেওয়া হয়েছে বেশ সতর্কতা।সিডিসি পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা বলেন, বেশ কয়েকদিনে চীন থেকে আসা বিভিন্ন ফ্লাইটের ৯০০ যাত্রীকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করা হলেও এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি।

আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরো বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও পর্যটকদের নিয়মিত যাতায়াত থাকায় নোবেল করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি রয়েছে।

তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশে কোনো রোগী পাওয়া গেলে তাদের আলাদা করে রেখে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারি কুর্মিটোলা হাসপাতালে পৃথক ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য রি এজেন্টও আছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখিত যে, নোবেল করোনা ভাইরাস, উহান করোনা ভাইরাস, উহান ফ্লু, উহান সি ফুড মার্কেট নিউমোনিয়া ভাইরাস ও উহান নিউমোনিয়া নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়েছে ভাইরাসটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে বলছে 2019-nCoV।

গত ২৮ জানুয়ারি করোনা ভাইরাস ইস্যুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হয়নি, প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

চীনে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশিদের আপাতত চীন ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একইসঙ্গে চীন থেকে কাউকে না নিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, যদি কেউ আক্রান্ত শনাক্ত হয় তবে তার চিকিৎসার জন্য আলাদাভাবে ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা সেবা অন্য সব রোগীর থেকে আলাদা করে দেয়া হবে।

গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলের উহানে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর চাউর হয়।

ইতোমধ্যে মারণঘাতী এ ভাইরাস চীনের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি বিশ্বের বেশকিছু দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

মূলত, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনা কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্টও। সাধারণ ফ্লুর মতোই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত সংখ্যা লাখ ছড়িয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস।জারি করা হয়েছে জরুরি কিছু নির্দেশনা।

চীন ছাড়াও ইতোমধ্যে হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, ম্যাকাউ, নেপাল, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, কানাডায় এ ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত করা গেছে।

ঢা/তাশা

(Visited 1 times, 1 visits today)